Xiaomi Redmi Note 14 রিভিউ: জাতীয় ফোনের নতুন অধ্যায়, নাকি পুরনো গল্প?
Redmi Note সিরিজের নাম শুনলেই কেমন একটা নস্টালজিক অনুভূতি হয়, তাই না? বছরের পর বছর ধরে এই সিরিজের ফোনগুলো বাংলাদেশের এতো মানুষের পছন্দের তালিকায় ছিল যে, এটাকে আমরা মজা করেই "জাতীয় ফোন" বলে ডাকতাম। কিন্তু বাজার এখন অনেক পাল্টে গেছে। দাম বেড়েছে, প্রতিযোগিতা বেড়েছে। এই বাস্তবতায় Xiaomi তাদের নতুন Redmi Note 14 নিয়ে হাজির হয়েছে। এই ফোনটা কি সেই পুরনো রাজত্ব ফিরিয়ে আনতে পারবে, নাকি এটা আরেকটা সাধারণ মিড-রেঞ্জ ফোন? ফোনটা হাতে নিয়ে প্রায় এক সপ্তাহ কাটানোর পর আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে, সেটাই আজকে শেয়ার করব।
Design & Build Quality
ফোনটা বক্স থেকে বের করার পর প্রথম যে জিনিসটা চোখে পড়ে, সেটা হলো এর ডিজাইন। আমরা রিভিউর জন্য Black কালারটা পেয়েছি। ছেলেদের কাছে এই রংটা সাধারণত খুব পছন্দের। তবে বাজারে এর আরও তিনটা কালার অপশন আছে, যেগুলোও বেশ নজরকাড়া।
হাতে নেওয়ার পর প্রথম যে অনুভূতি হয়, সেটা হলো এটি বেশ হ্যান্ডি এবং হালকা-পাতলা। তবে সেই সাথে একটু শক্ত-সমর্থ একটা ভাব আছে। পুরো বডিটাই প্লাস্টিকের তৈরি। পিছনের প্যানেলটাও প্লাস্টিক, তবে এর উপর একটা ফ্রস্টেড ফিনিশিং দেওয়া আছে। এই ফিনিশিংটা দারুণ, কারণ এতে ফিঙ্গারপ্রিন্ট একদমই পড়ে না, যা অনেকের কাছে বড় একটা প্লাস পয়েন্ট। তারপরও, ফোনের সেফটি আর ভালো লাগার জন্য বক্সে দেওয়া কেসটা ব্যবহার করাই ভালো।
এখনকার ট্রেন্ডের সাথে তাল মিলিয়ে এতেও অনেক কিছুই আছে। উপরে রয়েছে অতি প্রয়োজনীয় IR Blaster, যা দিয়ে ঘরের টিভি বা এসি চালানো যায়। নিচে আছে 3.5mm Headphone Jack, যা আজকালকার ফোনে সোনার হরিণের মতো, আর আছে Type-C পোর্ট। ডাস্ট আর পানির ছিটা থেকে বাঁচার জন্য IP54 রেটিং আছে। বৃষ্টিতে একটু ভিজে গেলে বা রান্নাঘরে পানির ছিটা লাগলে তেমন সমস্যা হবে না, কিন্তু পানিতে ডুবিয়ে ফেলা যাবে না। এই প্রাইস রেঞ্জে এখন অনেকে IP68 রেটিং দিচ্ছে, সেদিক থেকে Redmi একটু পিছিয়ে। তবে ভালো খবর হলো, ডিসপ্লের সুরক্ষার জন্য Corning Gorilla Glass 5 ব্যবহার করা হয়েছে, যা স্ক্র্যাচ আর হালকা ধাক্কা থেকে বাঁচাবে।
ফোনটার ওজন ব্যালেন্স দারুণ। হাতে ধরলে আরামদায়ক লাগে। ডিসপ্লের নিচে যে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানারটা আছে, সেটা বেশ একিউরেট। তবে "সুপার ফাস্ট" বলব না। আনলক হতে হালকা একটা অ্যানিমেশন ডিলে আছে, যা কিছুটা সময় নেয়। আশা করি ভবিষ্যতে সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে এটা আরও ফাস্ট হবে।
Display Experience
এই ফোনের ডিসপ্লে নিয়ে আমার কোনো কমপ্লেইন নেই, বরং বলব এই বাজেটে এটা বেশ চমৎকার। এখানে 6.67 ইঞ্চির একটা AMOLED প্যানেল ব্যবহার করা হয়েছে, যার রেজুলেশন Full HD+। এটা 120Hz High Refresh Rate সাপোর্ট করে। আর এই 120Hz-এর পারফরম্যান্স দারুণ। স্ক্রলিং বা অ্যাপ খোলার সময় যে স্মুথনেস পাওয়া যায়, সেটা সত্যিই উপভোগ করার মতো। রিফ্রেশ রেট ঠিকমতোই পুশ করছে ফোনটা।
ডিসপ্লের পিক ব্রাইটনেস 1800 nits। ইনডোরে তো বটেই, এমনকি বাইরে কড়া রোদের নিচেও স্ক্রিনে কী লেখা আছে তা স্ট্রাগল ছাড়াই দেখা যায়। বাইরে ছবি তোলার সময়ও আমার দেখতে কোনো অসুবিধা হয়নি। যদিও এই দামে আরও বেশি ব্রাইটনেসের ডিসপ্লে এখন দেখা যায়, তবুও এটা কোনোভাবেই খারাপ না। কালার প্রোডাকশন নিয়ে একটু কথা বলি। AMOLED প্যানেলের কারণে কালারগুলো বেশ ভাইব্রেন্ট আর পাঞ্চি লাগে, যা চোখে খুব আরামদায়ক। তবে একদম ন্যাচারাল টোন যারা পছন্দ করেন, তাদের কাছে এটা একটু বেশিই রঙিন মনে হতে পারে। ডিসপ্লেতে কোনো রকমের কালার টিন্ট বা দেখার অ্যাঙ্গেল নিয়ে কোনো সমস্যা চোখে পড়েনি।
ডিজাইনের দিক থেকে একটা জিনিস খুব ভালো লেগেছে, সেটা হলো এর Punch-hole কাটআউটটা। সেটা এতোটাই ছোট যে, বেশিরভাগ সময় খেয়ালই করবেন না। তবে নিচের দিকে যে চিন (bezels) আছে, সেটা বাকি তিন পাশের মতো সিমেট্রিক্যাল না। নিচের বেজেলটা আরেকটু সরু হলে ডিসপ্লের অভিজ্ঞতা আরও নিমগ্ন হতো। এছাড়াও আছে HDR10+ এবং Widevine L1 সাপোর্ট, ফলে Netflix বা অন্যান্য OTT প্ল্যাটফর্মে Full HD কন্টেন্ট এনজয় করতে পারবেন।
Performance & Gaming
এবার আসি পারফরমেন্সের কথায়। এই জায়গাটাতেই আমার কাছে Redmi Note 14-এর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ধরা পড়েছে, বিশেষ করে এর দামের পরিপ্রেক্ষিতে।
ফোনটা চলে HyperOS 1-এর উপর, যা বেসড Android 14-এর ওপর। ২০২৫ সালে এসেও Android 14 পাওয়াটা একটু হতাশার। তবে Xiaomi অনেক ভালো একটা কাজ করেছে। তারা এই ডিভাইসের জন্য ৪ বছরের Major Android Update এবং ৬ বছরের Security Update-এর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এর মানে, আমরা খুব শীঘ্রই Android 15 পাব এবং ভবিষ্যতে Android 18 পর্যন্ত আপডেট আসবে। এই জায়গাটা সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে।
এবার আসি মূল প্রসেসরে। ফোনটিতে আছে MediaTek Helio G99 Ultra চিপসেট। এই প্রসেসরটা আমাদের কাছে বহুল পরিচিত। ২২-২৩ হাজার টাকার ফোনে এই প্রসেসর থাকলে মেনে নেওয়া যায়। কিন্তু Redmi Note 14-এর দাম যখন ২৬-২৭ হাজার টাকা, তখন এই প্রসেসর কোনোভাবেই যৌক্তিক মনে হয় না। এটা আমার কাছে সবচেয়ে বড় কমতি মনে হয়েছে। এই দামে অন্তত একটা 5G চিপসেট বা আরও শক্তিশালী কিছু আশা করা স্বাভাবিক। RAM-এর টাইপ LPDDR4X এবং স্টোরেজ UFS 2.2, যেগুলোও এই দামে একটু পুরনো।
বাস্তব ব্যবহারে কেমন? রেগুলার কাজের জন্য যথেষ্ট। ফেসবুক, ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ চালানো, কল করা - এইসব কাজে ফোন একদম ঠিকঠাক। অ্যাপ ওপেন বা ক্লোজ করতে হালকা একটু সময় নেয়, কিন্তু সেটা বিরক্তিকর "ল্যাগ" বা "হিকাপ" নয়। আমার ব্যবহারে ফোন হ্যাং করা বা রিস্টার্ট নেওয়ার মতো কোনো সমস্যা হয়নি। ৬ জিবি RAM-এর ভেরিয়েন্টেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ৪-৫টা অ্যাপ রেখে কাজ করা যায়, অ্যাপগুলো ক্র্যাশ করে না। তবে, যারা একটু বেশি মাল্টিটাস্কিং করেন বা ভারী অ্যাপ ব্যবহার করেন, তাদের জন্য ৮ জিবি RAM-এর ভেরিয়েন্টটা নেওয়ার পরামর্শ দেব।
গেমিং নিয়ে বেশি কিছু বলার নেই। MediaTek Helio G99 Ultra গেমিংয়ের জন্য তৈরি হয়নি। PUBG বা Free Fire-এর মতো গেম খেলা যায়, তবে সেটা HD বা High Frame Rate সেটিংসে নয়। স্মুথ এক্সপেরিয়েন্স পেতে হলে গ্রাফিক্স সেটিংস একদম লো করে খেলতে হবে। আর তারপরও অ্যাকশনের সময়, বিশেষ করে শেষের দিকে গিয়ে, হালকা ল্যাগ বা ফ্রেম ড্রপ দেখা যায়। তবে 2D গেম বা সাবওয়ে সার্ফার-এর মতো ক্যাজুয়াল গেম খেলতে কোনো সমস্যা হবে না। গরমের দিক থেকে ফোন বেশ ভালো। গেমিংয়ের সময়ও তাপমাত্রা ৩৬-৩৭ ডিগ্রির আশেপাশে ছিল, যা খুবই নরমাল।
একটা ভালো দিক হলো, ফোনে কিছু প্রি-ইনস্টলড ব্লোটওয়্যার বা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ আছে। এগুলো আনইনস্টল করে নিলে ফোনের পারফরমেন্স আরও বেটার হবে এবং ব্যাটারিও কিছুটা বাঁচবে।
Camera System
ক্যামেরা সেটআপটা দেখলে প্রথমে বড় সড় মনে হলেও, আসলে এখানেও কিছু মিসিং আছে। পিছনে তিনটা ক্যামেরা আছে - 108 Megapixel-এর Main Sensor, সাথে 2 Megapixel-এর Depth আর 2 Megapixel-এর Macro লেন্স। এই দামে এসেও একটা Ultrawide লেন্স না থাকাটা সত্যিই হতাশার। একটা 8 Megapixel-এর Ultrawide লেন্স থাকলে এই ফোনকে আলাদাভাবে চেনা যেত।
যাই হোক, Main ক্যামেরাটা ভালো আলোতে বেশ ভালো ছবি তোলে। ছবিগুলোতে শার্পনেস আর ডিটেইল মোটামুটি ভালো থাকে। ডায়নামিক রেঞ্জ আর এক্সপোজার ব্যালেন্সও ঠিকঠাক। এই ক্যামেরার সবচেয়ে ভালো দিক হলো এর কালার প্রোডাকশন। ছবির রংগুলো খুব ন্যাচারাল দেখায়। এই দামের বেশিরভাগ ফোনই কালারকে একটু বেশি ভাইব্রেন্ট বা উষ্ণ করে তোলে, কিন্তু Redmi Note 14-এর ক্ষেত্রে সেটা হয় না। তবে, খুব কড়া আলোতে বা ডিরেক্ট লাইটের দিকে তাক করে ছবি তুললে ক্যামেরা বেশ হিমশিম খায়। ওই সময় এক্সপোজার আর হোয়াইট ব্যালেন্স ঠিক রাখতে পারে না।
কম আলোয় (Low Light) ছবির মান আমার প্রত্যাশার চেয়ে একটু কম পেয়েছি। ছবিতে নয়েজ বা গ্রেইন দেখা যায়, আর ডিটেইলও কমে আসে। পোর্ট্রেট মোডে ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লারটা মোটামুটি ন্যাচারাল লাগে, কিন্তু এজ ডিটেকশন সবসময় নিখুঁত না। অনেক সময় সাবজেক্ট আর ব্যাকগ্রাউন্ডের মাঝের লাইনটা মিসম্যাচ করে। 2x পোর্ট্রেট মোড থাকলে ভালো হতো। Macro লেন্সটা দিয়ে ভালো আলোতে কিছু ইউজেবল ছবি তোলা যায়, তবে এর থেকে বেশি কিছু আশা করাটা বোকামি হবে।
ভিডিও রেকর্ডিং সর্বোচ্চ 1080p 60fps-এ করা যায়। কিন্তু এখানে EIS বা OIS কোনোটাই নেই। যার ফলে ভিডিওতে স্ট্যাবিলিটি বলতে কিছু নেই, খুব কাঁপা কাঁপা ভিডিও আসে। হাতে হালকা স্থির রেখে বা গিম্বল ব্যবহার করলে কিছুটা ভালো ফুটেজ পাওয়া যেতে পারে।
সামনের 20 Megapixel-এর সেলফি ক্যামেরাটা বেশ ভালো। ছবিগুলোতে শার্পনেস আর ডিটেইল ভালো থাকে, আর ফিল্ড অফ ভিউ বেশ ওয়াইড। কালার একটু টুইক করা, স্কিন টোনকে একটু গ্লো করিয়ে আর উজ্জ্বল করে দেখায়। এটা খারাপ না, কারণ বেশিরভাগ মানুষই এমন সেলফি পছন্দ করে। তবে ডায়নামিক রেঞ্জ আরও ভালো হতে পারত।
Battery Life & Charging
Redmi Note 14-এর ব্যাটারি লাইফ নিয়ে আমি বেশ খুশি। এতে আছে 5300mAh-এর বড় ব্যাটারি। আমাদের হেভি টেস্টিংয়ে, যেখানে 120Hz রিফ্রেশ রেট অন করে রাখা ছিল, ফোনটা প্রায় সাড়ে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টার মতো Screen-on Time (SOT) দিয়েছে। এটা খুবই ভালো একটা ব্যাকআপ। রেগুলার ব্যবহারে ফোনটা আরামসে পুরো একদিন, এমনকি তার চেয়েও বেশি সময় চলে যাবে। সারাদিন বাইরে থাকলেও চার্জার খোঁজার কোনো টেনশন থাকবে না।
চার্জিং স্পিডটা একটু ধীরগতির। বক্সে 33W-এর চার্জার দেওয়া আছে। এই বিশাল ব্যাটারি চার্জ হতে বেশ সময় নেয়। এই দামে এসে অন্তত ৬৭ ওয়াটের চার্জিং সাপোর্ট থাকলে প্রতিযোগিতার সাথে তাল মেলানো যেত। তবে, ব্যাকআপ যেহেতু দারুণ, তাই বারবার চার্জ দেওয়ার ঝামেলা কম। অন্যান্য ফিচারের মধ্যে আছে স্টেরিও স্পিকার, যার সাউন্ড বেশ লাউড এবং ক্লিয়ার। ফুল ভলিউমেও শব্দ বিকৃত হয় না, যা অনেক ফোনেই দেখা যায়। কল কোয়ালিটি আর নেটওয়ার্ক রিসেপশন নিয়েও আমার কোনো অভিযোগ নেই।
Software & Features
ফোনটা যেমন বলেছিলাম HyperOS 1-এর উপর চলছে। Xiaomi-র এই নতুন স্কিনটা তাদের পুরনো MIUI-র থেকে অনেকটাই ক্লিন এবং অপটিমাইজড। অ্যানিমেশনগুলো স্মুথ, আর ব্লোটওয়্যারও তুলনামূলক কম। তবে এখনও কিছু অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ থাকে, যেগুলো মিনিট দশেক সময় নিয়ে আনইনস্টল করে নিলে এক্সপেরিয়েন্স আরও ভালো হয়।
HyperOS-এর কিছু ফিচার দারুণ। কাস্টমাইজেশনের অপশন অনেক, আর প্রাইভেসি ফিচারগুলোও বেশ জোরালো। তবে, সবচেয়ে বড় যে জিনিসটা আমাকে আশাবাদী করেছে, সেটা হলো আপডেট পলিসি। Xiaomi-র প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, এই ফোন ৪টা বড় অ্যান্ড্রয়েড আপডেট পাবে, মানে Android 18 পর্যন্ত। এর সাথে ৬ বছরের সিকিউরিটি প্যাচ। এর মানে, ফোনটা আগামী অনেক বছর ধরেই সুরক্ষিত এবং আপ-টু-ডেট থাকবে। এই প্রাইস রেঞ্জে এটা একটা দারুণ ব্যাপার।
Final Verdict
Xiaomi Redmi Note 14 আসলে একটা মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে। এটা একটা ভালো ফোন, কিন্তু নিজের দামের সাথে কিছু জায়গায় সুবিচার করতে পারে নাই।
এর ডিসপ্লে অসাধারণ, ব্যাটারি লাইফ দারুণ, ডিজাইন সুন্দর, আর সফটওয়্যার আপডেটের নিশ্চয়তা চমৎকার। কিন্তু, যে দামে এটা এসেছে - Xiaomi Redmi Note 14 price in Bangladesh এখন 6GB+128GB ভেরিয়েন্টের জন্য BDT 25,999 এবং 8GB+256GB ভেরিয়েন্টের জন্য BDT 28,999 - সেই হিসেবে MediaTek Helio G99 Ultra প্রসেসরটা পুরনো মনে হয়। এই বাজেটে একটা Ultrawide ক্যামেরা আর ফাস্ট চার্জিং আশা করাই স্বাভাবিক।
যদি আপনি একজন রেগুলার ইউজার হন - ফেসবুক, ইউটিউব, নেটফ্লিক্স দেখবেন, সারাদিন চার্জের টেনশন ছাড়া চলবে, আর মাঝে মাঝে ভালো ছবি তুলবেন - তাহলে এই ফোন আপনার জন্য খারাপ না। ডিসপ্লে আর ব্যাটারি আপনাকে মুগ্ধ করবে। কিন্তু আপনি যদি একটু বেশি গেমিং করেন, কিংবা ফিউচার-প্রুফ 5G ফোন চান, অথবা ক্যামেরা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করতে ভালোবাসেন, তাহলে এই বাজেটে বাজারে আরও ভালো অপশন আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। Redmi Note 14 সব মিলিয়ে ঠিকঠাক, কিন্তু "জাতীয় ফোন"-এর সেই পুরনো জাদুটা যেন একটু ম্লান হয়ে এসেছে। দাম আরেকটু কম হলে, নাহলে অন্তত প্রসেসরটা একটু ভালো হলে, এই ফোন নিঃসন্দেহে সেরা হয়ে উঠতে পারত।





