ডিজাইন এবং বিল্ড কোয়ালিটি দিয়ে শুরু করাই ভালো হবে, কারণ Xiaomi 17 Ultra হাতে নেওয়ার পর প্রথম যে জিনিসটা মাথায় আসে সেটা হলো—বাহ্, এটা সত্যিই প্রিমিয়াম একটা ফোন। আর প্রিমিয়াম বলতেই ওজনটা কিন্তু একটু বেশিই। ২৩০ গ্রামের কাছাকাছি ওজন অনেক হালকা ফোনে অভ্যস্ত কারও কাছে প্রথম দিকে একটু ভারী লাগতে পারে। কিন্তু কয়েক ঘণ্টা ব্যবহারের পরেই ব্যাপারটা আর খারাপ লাগে না, বরং হাতে একটা সলিড ফিল দেয়।
ফোনটার ব্যাক প্যানেলটা গ্লাস, তবে আমি শুনেছি একটি বিশেষ লাইকা এডিশনের ভার্সন আছে যেটাতে ইকো লেদার ব্যাক থাকে। আমার কাছে যে রেগুলার এডিশনটা ছিল সেটাতে গ্লাস ব্যাক, যার ওপর লাইকা ব্র্যান্ডিং বেশ ক্লাসি লাগছে। ফ্রেমের চারপাশ অ্যালুমিনিয়ামের, আর একটা মজার ব্যাপার হলো ফোনটার IP68 এবং IP69 রেটিং আছে। মানে শুধু পানির মধ্যে কিছুক্ষণ থাকলেই চলবে না, হাই প্রেসারের পানির স্প্রেও নিতে পারবে। বাংলাদেশের ধুলোবালি আর বৃষ্টির জন্য এটা দারুণ এক প্রোটেকশন।
এবার আসি সবচেয়ে আলোচিত জায়গায়—ক্যামেরা মডিউল। পেছনে ক্যামেরা বসেছে বেশ উঁচু হয়ে। টেবিলের ওপর রাখলে ফোনটা একপাশে কাত হয়ে থাকে, এটা নিয়ে অনেকের বিরক্ত লাগতে পারে। তবে আমি খেয়াল করলাম, ফোনটা যদি ল্যান্ডস্কেপ মোডে ধরে ছবি তুলতে যাই, তখন এই উঁচু ক্যামেরা মডিউলটা আবার দারুণ গ্রিপ হিসেবে কাজ করে। তর্জনীটা ঠিক ক্যামেরার বাম্পের নিচে আটকে থাকে, হাত থেকে পড়ে যাওয়ার ভয় কমে যায়। বাটন প্লেসমেন্টও ইন্টারেস্টিং। ভলিউম বাটনটা গোল টাইপের, আর পাওয়ার বাটনটা অপেক্ষাকৃত ছোট। একটা ডেডিকেটেড শাটার বাটনের খুব অভাব বোধ করলাম। এত বড় ক্যামেরা সেন্ট্রিক ফোনে ক্যামেরার আলাদা বাটন পেলে মজা হতো।
ডিসপ্লে এক্সপেরিয়েন্স
Xiaomi 17 Ultra-তে আছে ৬.৯ ইঞ্চির LTPO AMOLED ডিসপ্লে। এই প্যানেলটা কিন্তু দারুণ সব ফিচারে গোছানো। প্রথমেই বলি রিফ্রেশ রেটের কথা—এটা ১২০ হার্জ পর্যন্ত যায়, যা ফ্ল্যাগশিপ ফোনের জন্য এখন ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড। ১২০ হার্জের জাদুটা স্ক্রলিং আর অ্যানিমেশনের সময় দারুণ বোঝা যায়। সবকিছু যেন মাখনের মতো স্মুথ।
পিক ব্রাইটনেস ৩৫০০ নিটস, যদিও নম্বরের দিক থেকে কিছু ফোন আরও বেশি দেখায়, কিন্তু বাস্তবে রোদের নিচে এই ডিসপ্লে অসাধারণ ভিজিবল। আমি কয়েকদিন বাইরে দুপুরের রোদে ছবি তুলেছি, কখনোই স্ক্রিনের কনটেন্ট পড়তে সমস্যা হয়নি। HDR10+ সাপোর্ট থাকায় ইউটিউবে কোনো HDR ভিডিও দেখলেও রং আর ডিটেইল চোখে লাগার মতো। ৬৮ বিলিয়ন কালারের সাপোর্ট মানে কালার গ্র্যাডেশন এতটাই স্মুথ যে বাস্তব আর ডিজিটালের ব্যবধানটা মুছে যায়।
ডিসপ্লের চারপাশের বেজেল একেবারে চিকন, প্রায় ইনভিজিবল বলা যায়। কার্নারগুলো ফ্ল্যাগশিপ ফোনের মতো সিমেট্রিকালি রাউন্ডেড। উপর দিকে পাঞ্চহোল কাটআউটে ফ্রন্ট ক্যামেরা। অন্যদিকে ডিসপ্লের নিচে আছে আলট্রাসনিক ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার। স্ক্যানারটা যেখানে রাখা আছে সেই পজিশনটা বেশ এরগনোমিক, আর আনলক স্পিড লাইটনিং ফাস্ট। একবার টাচ করলেই আনলক হয়ে যায়, দেরি করার কোনো নামগন্ধ নেই। কালার রিপ্রোডাকশন অনেকটাই ন্যাচারাল, তবে একটু পাঞ্চি টোনও আছে যেটা দেখতে ভালো লাগে। সব মিলিয়ে ডিসপ্লে পার্টে Xiaomi তাদের সেরাটা ঢেলে দিয়েছে।
পারফরম্যান্স ও গেমিং
পারফরম্যান্সের জায়গায় Xiaomi 17 Ultra এক কথায় দুর্দান্ত। এর ভেতরে আছে কোয়ালকমের সর্বশেষ Snapdragon 8 Elite প্রসেসর। এই চিপসেটটা শুধু কাঁচা পাওয়ারের দিক থেকেই এগিয়ে না, একইসাথে এনার্জি এফিশিয়েন্টও। পাশে LPDDR5X RAM এবং UFS 4.1 স্টোরেজ। ভার্সন হিসেবে বাংলাদেশে আনঅফিশিয়ালি ১২ জিবি র্যাম আর ৫১২ জিবি স্টোরেজ এবং ১৬ জিবি র্যাম আর ৫১২ জিবি স্টোরেজ পাওয়া যাচ্ছে। ১ টেরাবাইটের ভার্সনও আছে, যদিও সেটা এখনও তেমন চোখে পড়েনি। বলে রাখা ভালো, বেস স্টোরেজই শুরু ৫১২ জিবি থেকে—২৫৬ জিবির কোনো অপশন নেই, যা সত্যিই ফ্ল্যাগশিপ মাইন্ডসেট।
গেমিং এক্সপেরিয়েন্স বলতে গেলে, Genshin Impact, PUBG Mobile, কিংবা Call of Duty Mobile—সব কয়টা গেমই হাইয়েস্ট সেটিংসে খেলেছি। ফোনে কোনো রকম স্টাটার তো দূরের কথা, গরমও কম হয়েছে। লম্বা গেমিং সেশনে ফ্রেম ড্রপ করতে দেখিনি। স্ন্যাপড্রাগনের এই চিপ আগের প্রজন্মের তুলনায় অনেক স্থিতিশীল আর ঠান্ডা। মাল্টিটাস্কিংও দারুণ, একসাথে অনেকগুলো অ্যাপ খোলা থাকলেও পিছনের অ্যাপগুলো ক্লোজ হয় না।
একটা জিনিস না বললেই নয়—হ্যাপটিক ফিডব্যাক। এই ফোনের ভাইব্রেশন মোটর অসাধারণ। টাইট, স্ট্রং আর প্রিসাইজ। কিবোর্ড টাইপিং থেকে শুরু করে নোটিফিকেশন, সবখানে প্রিমিয়াম একটা ফিল আসে। সাউন্ড কোয়ালিটিও চমৎকার। স্টেরিও স্পিকার আছে, অডিও অনেক ব্যালেন্সড আর ক্লিয়ার। ফুল ভলিউমে গান শুনলেও ডিসটরশন খুঁজে পাওয়া দায়। স্পিকারের গভীরতা ভালো, আর ডলবি অ্যাটমস সাপোর্টের কারণে হেডফোনে অডিও এক্সপেরিয়েন্স আরও উন্নত।
ক্যামেরা সিস্টেম
এখন আসা যাক ফোনটার প্রাণভোমরায়—ক্যামেরা সিস্টেমে। Xiaomi 17 Ultra-কে ক্যামেরা সেন্ট্রিক ডিভাইস বললে বাড়িয়ে বলা হবে না। পেছনে তিনটা ক্যামেরা আছে, কিন্তু প্রতিটা সেন্সরই যেন নিজেকে প্রমাণ করার জন্য তৈরি।
প্রধান ক্যামেরাটা ৫০ মেগাপিক্সেল, যার সেন্সর সাইজ ১ ইঞ্চি! Omnivision-এর এই Light Fusion সেন্সরটা ফিজিক্যালি অনেক বড়, ফলে বেশি আলো ধরতে পারে, বিশেষ করে লো লাইটে। আরও মজার ব্যাপার হলো, এতে ভেরিয়েবল অ্যাপার্চার আছে। মানে অ্যাপার্চার নিজে থেকেই বা ম্যানুয়ালি বদলানো যায়, যাতে প্রয়োজনমতো ফিল্ডের গভীরতা বাড়ানো বা কমানো যায়। এর ফলে পোর্ট্রেট মোডে ন্যাচারাল বোকেহ আসে, আবার ল্যান্ডস্কেপে শার্পনেসও বজায় থাকে। দিনের আলোয় তোলা ছবিগুলো দেখলে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। ডিটেইল লেভেল অসাধারণ, ডায়নামিক রেঞ্জ সুপার ওয়াইড। আকাশ আর ছায়ার জায়গা দুটোই সমান গুরুত্ব পায়। কালার একেবারেই ন্যাচারাল না, বরং একটু পাঞ্চি আর প্লেজেন্ট টোন থাকে। আমার কাছে ব্যক্তিগতভাবে এই প্রসেসিং ভালো লেগেছে, কারণ ছবিগুলো সরাসরি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া যায়।
দ্বিতীয় ক্যামেরাটা ৫০ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড, যা Samsung-এর ISOCELL JN5 সেন্সর। এই লেন্সে তোলা ছবির কালার প্রায় মেইন ক্যামেরার সমান। প্রপার লাইটে ইউনিফর্মিটি দুর্দান্ত। আল্ট্রা-ওয়াইড ডিসটরশনও কন্ট্রোল করা আছে, আর প্রান্তে শার্পনেস ভালো। তৃতীয় ক্যামেরাটাই সবচেয়ে আকর্ষণীয়—২০০ মেগাপিক্সেলের পেরিস্কোপ টেলিফটো লেন্স, Samsung-এর HP সেন্সর। এই লেন্সের একটা ইউনিক ফিচার হলো অপটিক্যালি ৩.২x থেকে ৪.৩x পর্যন্ত জুম রেঞ্জটা একটানা চেঞ্জ করা যায়। মানে আপনি ৩.২x-এ জুম করছেন, ধীরে ধীরে বাড়িয়ে ৩.৫x, ৪.০x, ৪.৩x পর্যন্ত যেতে পারবেন, আর পুরোটাই অপটিক্যাল জুম। ডিজিটাল ক্রপ নয়। এই জিনিসটা স্মার্টফোনে আমি প্রথম দেখলাম। ১০x-২০x পর্যন্ত ডিজিটাল জুমেও ছবি ভাঙে না অনেকটা। লো লাইটেও টেলিফটো লেন্স চমৎকার কাজ করে, কারণ বড় সেন্সর আর অ্যাপার্চার কম্বিনেশন আলো টানে দুর্দান্তভাবে।
পোর্ট্রেট মোডে আপনি ১x, ২x, ৩.২x আর ৪.৩x—এই ফোকাল লেন্থগুলোতে ছবি তুলতে পারবেন। এজ ডিটেকশন নিখুঁত, ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার ন্যাচারাল, স্কিন টোন একটু ব্রাইট হয় বটে কিন্তু দেখতে ভালো লাগে। যারা প্রফেশনাল গ্রেডের ভিডিও চান, তাদের জন্য আছে ৮কে ৩০ এফপিএস, ৪কে ৬০ এফপিএস এমনকি ৪কে ১২০ এফপিএস রেকর্ডিং সুবিধা। লগ ফরম্যাটে শুটিং সাপোর্টও আছে, ফলে কালার গ্রেডিং করা যায় পরে। ভিডিও স্টেবিলাইজেশন প্রশংসনীয়, হাঁটাহাঁটি করলে খুব একটা ঝাঁকুনি ধরা পড়ে না।
সেলফি ক্যামেরাতেও ৫০ মেগাপিক্সেল সেন্সর। সেলফি লাভারদের জন্য এটি রেডিমেড সুন্দর ছবি দেয়। হাইলাইট ব্যাকগ্রাউন্ড থাকলেও ডায়নামিক রেঞ্জ ভালো, চেহারা উজ্জ্বল দেখায়। স্কিন কিছুটা গ্লো করে তোলে, তবে একেবারে প্লাস্টিকি নয়। ৪কে ৬০ এফপিএস-এ সেলফি ভিডিও রেকর্ড করা যায়, যা ভ্লগারদের দারুণ কাজে আসবে।
আমি যখন বিভিন্ন জায়গায় ছবি তুলেছি, ঢাকার সড়কে ধুলো আর কুয়াশার মধ্যেও আশ্চর্যজনকভাবে ক্লিন শার্প ছবি পেয়েছি। লো লাইটে নরমাল ফটোতেও নয়েজ কন্ট্রোল দারুণ, আর নাইট মোডে তো জাদুই বলা যায়।
ব্যাটারি লাইফ ও চার্জিং
ভারী ফোনের একটা সুবিধা হলো ভেতরে বড় ব্যাটারি। Xiaomi 17 Ultra-তে আছে ৬৮০০ mAh ব্যাটারি, যা এই মুহূর্তে ফ্ল্যাগশিপদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ব্যাটারিগুলোর একটা। পুরো দিন খুব হেভি ইউজ করলেও ৩০-৪০% চার্জ রয়ে যায়। মানে আপনি আরামসে দেড় দিন চালাতে পারবেন। আমি ফোনটা দিয়ে সকালে ইউটিউব দেখেছি, ঘণ্টাখানেক গেমিং করেছি, সারাদিন মোবাইল ডাটায় কাটিয়েছি আর ক্যামেরা ঘাঁটাঘাঁটি করেছি—তবু রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চার্জ দরকার পড়েনি।
চার্জিং স্পিডও ঈর্ষণীয়। বক্সের ভেতরেই ৯০ ওয়াটের ওয়্যার্ড চার্জার দেয়া আছে। ১৫ মিনিটে প্রায় ৫০% চার্জ হয়ে যায়, আর পুরো ফুল হতে সময় লাগে ৩৫-৪০ মিনিটের মতো। ওয়্যারলেস চার্জিং সাপোর্ট ৫০ ওয়াট পর্যন্ত, আর রিভার্স ওয়্যার্ড চার্জিং ২২.৫ ওয়াট—অন্য ডিভাইস জরুরি ভিত্তিতে চার্জ দিতে পারবেন।
সফটওয়্যার ও ফিচার
Xiaomi 17 Ultra বক্স থেকেই রান করছে HyperOS 3, যা বেস করা Android 16-এর ওপর। HyperOS-এর আগের ভার্সনগুলোতে কিছু বাগ আর ল্যাগের অভিযোগ থাকলেও ৩-এ এসে সেগুলো প্রায় পুরোপুরি ঠিক হয়েছে। অ্যানিমেশন স্মুথ, অ্যাপ ওপেনিং টাইম ফাস্ট, আর একটা পরিণত সফটওয়্যার এক্সপেরিয়েন্স পাওয়া যায়। ব্লোটওয়্যার এখনও কিছু আছে, তবে তা আনইনস্টল করা যায়। কাস্টমাইজেশনের জায়গায় HyperOS প্রচুর অপশন দেয়, লক স্ক্রিন থেকে আইকন শেইপ—সবই পাল্টানো যায়।
বিশেষ ফিচার হিসেবে আলট্রাসনিক ফিঙ্গারপ্রিন্টের কথা আগেই বলেছি, এর বাইরে আইআর ব্লাস্টার, ডুয়াল সিম, এবং ৫জি কানেক্টিভিটি সবই আছে। আর যারা ভাবছেন ফোনটা কেমন লং-টার্মে চলবে, তাদের জন্য বলবো HyperOS এখন অনেক স্টেবল, আর লং রানে ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাও বেশ ইতিবাচক বলে শুনছি। চার-পাঁচদিনের ব্যবহারে আমি তেমন কোনো সফটওয়্যার বাগ বা ক্র্যাশ দেখিনি।
এবার আসি দাম নিয়ে। Xiaomi 17 Ultra price in Bangladesh বর্তমানে অফিশিয়ালি ফোনটি আসেনি, তবে আনঅফিশিয়াল চ্যানেলে পাওয়া যাচ্ছে। ১২ জিবি র্যাম + ৫১২ জিবি স্টোরেজ মডেলটার দাম প্রায় ১,৪০,০০০ টাকা, আর ১৬ জিবি + ৫১২ জিবি ভার্সনের দাম ১,৫২,০০০ টাকার কাছাকাছি। দাম নিঃসন্দেহে চড়া, কিন্তু এই ফোনের ক্যামেরা, ডিসপ্লে, ব্যাটারি আর পারফরম্যান্সের সমাহার দেখলে এটা ফ্ল্যাগশিপ কিলার নয়, বরং ফ্ল্যাগশিপদের রাজা হওয়ার জন্য তৈরি।
অবশেষে বলতে চাই, Xiaomi 17 Ultra মূলত তাদের জন্য যারা ক্যামেরার পেছনে পাগল, কিন্তু একইসাথে চান আনকম্প্রোমাইজড পারফরম্যান্স। লাইকা এডিশনে কিছু এক্সক্লুসিভ ফিচার যেমন ঘোরানো রিং, ক্যামেরা ক্যাপ আর ম্যাগনেটিক কেস পাওয়া যায়, কিন্তু এই রেগুলার এডিশনও কম যায় না। ফোনটার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারে Samsung Galaxy S24 Ultra বা iPhone 15 Pro Max, তবে Xiaomi 17 Ultra হাতে পেলে বোঝা যায়—মোবাইল ফটোগ্রাফির সংজ্ঞাটাই যেন আবার লিখতে চাইছে শাওমি। আপনি যদি সত্যিই সেরা ক্যামেরা ফোন চান আর ১৪০ হাজারের উপরে বাজেট রাখেন, তাহলে এটা নিঃসন্দেহে একটা অসাধারণ পছন্দ।





