ডিজাইনের ক্ষেত্রে Honor সত্যিই নিজেদের ছাড়িয়ে গেছে। ফোনটা হাতে নেওয়ার পর প্রথম যে জিনিসটা চোখে পড়ে, সেটা হল এর প্রিমিয়াম ফিল। পুরো বডিতে কোথাও প্লাস্টিকের ছোঁয়া নেই। ফ্রেমটা সম্পূর্ণ Aluminium, আর পেছনটা Glass দিয়ে মোড়ানো। এই কম্বিনেশনটা সাধারণত অনেক দামি ফোনে দেখা যায়। হাতে নিলে সলিড একটা ব্যাপার টের পাওয়া যায়, কোনও গেলো-খাওয়া ভাব নেই। ডিজাইনের দিক দিয়ে দেখতে গেলে, ফোনটাকে অনেকটা Pixel আর iPhone-এর স্পিরিচুয়াল সংমিশ্রণ বলা যায়। খুব ক্লিন আর মিনিমাল লুক, যা চোখে লাগে দারুণ।
ফোনটার ওজন প্রায় ১৯৮ থেকে ২০০ গ্রামের আশেপাশে। 8000mAh ব্যাটারি থাকার পরেও ওজনটা দারুণভাবে ব্যালেন্স করা হয়েছে, হাতে ধরলে তেমন ভারী মনে হয় না। ওভারসাইজড কিংবা অস্বস্তিকর কিছু না, বেশিরভাগ মানুষই এটা আরামে ইউজ করতে পারবে। আর বিল্ডের কথা যখন বলছি, তখন IP69 রেটিংয়ের কথা না বললেই নয়। এটা কিন্তু অনেক বড় ব্যাপার। ধুলা-বালি আর পানিতে ডুবিয়েও রাখা যাবে কিছুক্ষণ, এতটাই টানটান বিল্ড কোয়ালিটি দিয়েছে Honor।
কিন্তু সবকিছু দুর্দান্ত করার পরেও Honor একটা অদ্ভুত ভেজাল ঘটিয়েছে। আর সেটা হচ্ছে পাওয়ার বাটনের নিচে থাকা ক্যামেরা কন্ট্রোল বাটন। একদম Apple-এর Camera Control-এর ধাঁচে এটা এনে বসানো হয়েছে। আর এই জিনিসটা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয়। নিজে Apple-ও হয়তো ভবিষ্যতে এই ফিচার থেকে বেরিয়ে আসবে, Honor তার আগেই সেটা কপি করে বসে আছে। প্র্যাকটিক্যালি ক্যামেরা কন্ট্রোল করতে গিয়ে উল্টো বিপত্তি ঘটে। জোর করে ট্রাই করেও দেখেছি, ছবি তুলতে গেলে হাত কাঁপে, ফ্রেম নষ্ট হয়। আমার মতে, এই ফিচার দিয়ে শুধু উৎপাদন খরচই বাড়ানো হয়েছে, ইউজার এক্সপেরিয়েন্সে এর কোনও দাম নেই।
সামনে তাকালেই চোখে পড়ে 6.55 ইঞ্চির বিশাল AMOLED ডিসপ্লেটা। এটার প্যানেল কোয়ালিটি এক কথায় অসাধারণ। 1.5K রেজল্যুশন মানে স্ক্রিনে এতটাই শার্পনেস যে কোনও টেক্সট বা ছবি দেখলেই বুঝবেন পার্থক্যটা। চারপাশের বেজেলগুলো একদম চুল পরিমাণ সমান, যা দেখতে খুবই সিমেট্রিক্যাল আর প্রিমিয়াম লাগে।
ডিসপ্লের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ব্রাইটনেস। অনেকেই পিক ব্রাইটনেসের প্যাঁচে পড়েন, কিন্তু আসল প্রয়োজন হয় HBM (High Brightness Mode)-এ। এই ফোন সেটাতে 1800 nits পর্যন্ত ব্রাইটনেস দিতে পারে। রোদের মধ্যে দাঁড়িয়েও স্ক্রিনে কী লেখা আছে, তা চোখে আঙুল দিয়ে খুঁজতে হবে না। কালার টোন ও স্যাচুরেশন ব্যাপারটা দারুণ। রংগুলো একটু পাঞ্চি, কিন্তু একদম চোখ ধাঁধানো না, বরং দেখতে ভালোই লাগে।
এবার আসি Refresh Rate-এ। 120Hz রিফ্রেশ রেটের জন্য স্ক্রলিংটা একেবারে মাখনের মতো স্মুথ। সোশ্যাল মিডিয়া ঘাঁটুন বা UI-এর ভেতরেই নড়াচড়া করুন, কোথাও জিরকুটে ভাব ধরতে পারবেন না। টাচ স্যাম্পলিং রেটও খুব হাই, গেমিংয়ের সময় সেটা আলাদা করে টের পাবেন। তবে সামনের ক্যামেরার কাট-আউটটা একটু বড় লেগেছে। এত সুন্দর ডিসপ্লেতে আরও ছোট হলে পুরো এক্সপেরিয়েন্সটা আরও দারুণ হতো। আর ডুয়েল স্টেরিও স্পিকার থেকে যে সাউন্ড বের হয়, সেটাও ক্লিয়ার, গান শুনতে বা সিনেমা দেখতে খারাপ লাগে না। কানের পাশে বসিয়ে শুনলেই বোঝা যায় সাউন্ডে একটা ভলিউম আর ক্ল্যারিটি আছে।
পারফরম্যান্সের জায়গায় Honor 500 এসে একটু অন্যরকম খেলা খেলে। এখানে দেওয়া হয়েছে Snapdragon 8s Gen 4 চিপসেট। এটা কোনও পুরোদস্তুর ফ্ল্যাগশিপ চিপ না, তবে ফ্ল্যাগশিপের জিন-গতর এর মধ্যে আছে। আগেই বলে রাখি, এটা Snapdragon 8 Gen 3 বা তার কাছাকাছি কোনও দানব নয়। কিন্তু প্রশ্নটা হচ্ছে, আপনার কি সত্যিই ওতটুকু পাওয়ার দরকার?
আপনার প্রিয় ডেইলি ইউজ, ইউটিউব, ফেসবুকিং, আর গেমিং যদি PUBG, COD বা Free Fire-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে, তাহলে এই ফোন ৯৯% মানুষকে পুরোপুরি স্যাটিসফাই করবে। এই চিপের সবচেয়ে বড় গুণ এর হিট ম্যানেজমেন্ট। বাজারে অনেক ফোন আছে যেগুলো র-পাওয়ার দিয়ে কিছুক্ষণ গেইম খেলার পর গরম তাওয়ার মতো পুড়তে থাকে, হাতে ধরা যায় না। Honor 500-এ সেই আতঙ্ক নেই। যাই খেলেন না কেন, ফোন হালকা গরম হবে, কিন্তু হাত থেকে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা হয় না।
গেমিং টেস্টে PUBG খেললাম। দুঃখের বিষয়, এত দামের ফোনেও PUBG তে 120 FPS সাপোর্ট নেই, সর্বোচ্চ 90 FPS। Snapdragon 8s Gen 4 এর পক্ষে 120 FPS আরামে ডেলিভার করা সম্ভব ছিল, Honor হয়তো চাইনিজ রমের জন্য এটা দেয়নি। তারপরও 90 FPS-এ গেমপ্লে ছিল একেবারে ফ্লুইড। Delta Force-এ গিয়ে 120 FPS সাপোর্ট পেলাম আর FPS কাউন্টারও প্রায় ১১৮-১১৯ এর কাছাকাছি ঘোরাফেরা করছিল। একই অবস্থা Call of Duty-তে। পুরো ফ্ল্যাগশিপ গ্রেড না হলেও অপটিমাইজড গেমগুলোতে ঠিকই তরতর করে ছুটেছে।
হাই-গ্রাফিক্সের গেম Genshin Impact-এ একটু বেশি প্রেসার পড়ে। হাইয়েস্ট গ্রাফিক্সে 59-60 FPS-এ দারুণ রান করে, কিন্তু তখন গরমটা একটু বেশিই অনুভূত হয়। যদিও শীতকালে ঠিকমতো হিটিং টেস্ট করা যায় না, তারপরও হাতে রাখা যায়, এমন লেভেলেই থাকে। স্টোরেজ স্পিড নিয়ে একটু ধোঁয়াশা আছে। আনটুটু রেজাল্ট দেখে মনে হয়েছে এটা UFS 3.1 স্টোরেজ, যদিও 4.0 হওয়ার চান্সও ক্ষীণ। চাইনিজ ভ্যারিয়েন্টের কারণে নিশ্চিত একটা স্কোর পাওয়া মুশকিল।
এখন পর্যন্ত Honor 500-এর সবচেয়ে বড় ইউএসপি (Unique Selling Point) কী? আমার কাছে মনে হয় এটা এর ব্যাটারি। 8000mAh-এর সিলিকন কার্বন ব্যাটারি! শুনতেই কেমন যেন মনের ভেতর সাত-পাঁচ ভাবনা জাগায়। কিন্তু এখানে একটু বিজ্ঞানের মারপ্যাঁচ আছে। Silicon Carbon ব্যাটারি মানে কিন্তু আপনার পরিচিত Lithium-Ion ব্যাটারির মতো একই হিসাবের নয়। এই 8000mAh ব্যাটারি থেকে আপনি আসলে ৬৫০০ থেকে ৭০০০mAh লিথিয়াম-আয়ন ব্যাটারির সমতুল্য ব্যাকআপ পাবেন।
তারপরও, ব্যাকআপটা ভয়ংকর রকমের ভালো। স্ক্রিন-অন-টাইম হিসাব করলে আরামসে সাড়ে নয় থেকে দশ ঘণ্টা টানা চালানো যায়। মানে মোটামুটি দেড় থেকে দুই দিন আরামসে চলবে। যারা চার্জার সাথে নিয়ে ঘুরে বেড়ান, তারা হয়তো এটা কিনলে চার্জারের কথা ভুলেও যাবেন কয়েকদিন। বক্সের ভেতর 80W-এর চার্জার পাবেন, যা দিয়ে এই দানব ব্যাটারিকে ফুল চার্জ করতেও খুব একটা সময় লাগে না।
ক্ষোভের জায়গা হচ্ছে ওয়্যারলেস চার্জিং নেই। এত দামের ফোন, সঙ্গে প্রিমিয়াম গ্লাস আর অ্যালুমিনিয়ামের বডি— তারপরও Qi চার্জিং বাদ! Honor চাইলে এটা দিতে পারত, এতে ফোনের প্রিমিয়াম ভাবটা আরও জাস্টিফাইড হতো। তবে তাদের দেওয়া আছে 27W রিভার্স ওয়্যার্ড চার্জিং, অর্থাৎ আপনার বন্ধুর ফোন বা ইয়ারবাড চার্জ দরকার হলে এটাকে পাওয়ার ব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন।
Honor 500-এ UI হিসেবে পাবেন Magic OS 10, আর এটা বেস করা আছে Android 16-এর উপর। Magic OS বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েড জগতের টপ ফাইভ UI-এর একটা। এর ফ্লুইডিটি, অ্যানিমেশন আর লে-আউট সত্যিই চোখ জুড়ানো। কিন্তু একটা কাঁটা বিঁধেই থাকে। এটা একটা চাইনিজ রমের ফোন।
আপনি প্রথম বার অন করেই কিছু চাইনিজ অ্যাপ দেখবেন, যেগুলো আনইনস্টল করে দেওয়া গেলেও নোটিফিকেশন ইস্যুটা জীবনের জ্বালাতে পারে। কয়েকশোবার বলার পরও আবার বলি—হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জারে কল এলে অনেক সময় রিং বাজে না। কল কেটে যাওয়ার পর নোটিফিকেশন আসে! যাদের কাছে ইনস্ট্যান্ট নোটিফিকেশন জীবন-মরণ ব্যাপার, তাদের জন্য এটা মারাত্মক সমস্যা।
এই ফোনে একটা ভয়াবহ বাগ আই পেয়েছিলাম। অজানা নাম্বার থেকে কল বা এসএমএস এলে ফোন অটোমেটিক্যালি সেটা কেটে দিচ্ছিল বা স্প্যাম ফোল্ডারে পাঠিয়ে দিচ্ছিল। ভাগ্যিস, সেটিংস থেকে অপশনটা অফ করা গিয়েছিল, নাহলে পুরাই মাথা খারাপ হওয়ার অবস্থা। UI-এর দৃশ্যগত দিক দিয়ে Honor এখন পুরোপুরি Apple-এর মতো "লিকুইড গ্লাস" ইফেক্টের প্রেমে পড়েছে। হোম স্ক্রিন, ক্যামেরা অ্যাপ, সবখানে একই রকমের স্বচ্ছ ব্যাকগ্রাউন্ড ইফেক্ট। চাইনিজ ব্র্যান্ডগুলোর একটা মজার ব্যাপার, কেউ একটা কিছু করলে বাকি সবাই বিনা দ্বিধায় সেটা কপি করে। সফটওয়্যার সাপোর্ট নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা শক্ত, তবে অন্তত ২ থেকে ৩ বছর মেজর আপডেট পাওয়ার কথা।
ক্যামেরা— এই জায়গাটাই Honor-এর নাম্বার সিরিজের জন্য সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি। Honor 200-এ যে অসাধারণ টেলিফটো লেন্স দিয়েছিল, সেটার জন্য মানুষ আজও পুরোনো ফোনটা খুঁজে কেনে। Honor 300, 400 এবং এখন 500-এ তারা সেই জাদুটাকে সরিয়ে ফেলেছে। এটা আমার কাছে মারাত্মক বোকামি মনে হয়েছে।
Honor 500-এর পেছনে আছে মাত্র দুইটা ক্যামেরা। মেইন ক্যামেরাটা 200MP Samsung HP সেন্সর, আর সেকেন্ডারিটা 12MP-র একটা আল্ট্রাওয়াইড লেন্স। ডে-লাইটে মেইন ক্যামেরার ছবির আউটপুট দারুণ। প্রচুর ডিটেইল, কনট্রাস্টি অথচ ন্যাচারাল কালার টোন। কিন্তু যেই শ্যাডো এরিয়াতে যাবেন, দেখবেন ডিটেইল কমে একটু অন্ধকার দেখায়, হাইলাইট আর শ্যাডোর ব্যালেন্সিং জায়গামতো দুর্বল।
লো-লাইটে গিয়ে ব্যাপারটা আরও মাত্রা পায়। ফোন জোর করে লং-শাটার নিতে চায়, সেটা বন্ধ করার উপায়ও পাইনি। মানে স্থির হাত না হলে কম আলোয় ছবি একদম গোল্লায় যাওয়ার চান্স থাকে। রাতের ছবিতে ডিটেইল ঠিকঠাক আসলেও লেন্স ফ্লেয়ার ইস্যু আছে, যা বেশ বিরক্তিকর। ইউজ করতে গিয়ে কয়েকবার অসময়ে ফ্লেয়ার চলে এসে ফ্রেম নষ্ট করেছে।
আল্ট্রাওয়াইড ক্যামেরা দিয়ে দিব্যি চলে-যায় টাইপের ছবি পাওয়া যায়। ডে-লাইটে কালার টোন মেইন ক্যামেরার সাথে মেলানোর চেষ্টা করে, কিন্তু মনে হয় একটু বেশি এক্সপোজড হয়ে যায়। আলো কমার সাথে সাথে এর পারফরম্যান্সও একদম তলানিতে ঠেকে। এটাকে এক কথায় "প্রপার আল্ট্রাওয়াইড থেকে কম, কিন্তু খেলনা লেন্স থেকে বেটার" বলা যায়।
পোর্ট্রেট মোডে ১x, ২x আর ৩x অপশন আছে। ফোনে যেহেতু টেলিফটো লেন্স নেই, Honor সফটওয়্যারের জোরে মেইন ক্যামেরা থেকে ক্রপ করে জুম তৈরি করছে। ১x আর ২x-এ সাবজেক্ট সেপারেশন আর ব্লার এফেক্ট ভালোই লাগে, কিন্তু ফেস একটু স্মুথ হয়ে মেকআপ টাইপ চলে আসে। ৩x কিন্তু বাজে। অপটিক্যাল জুমের মতো ন্যাচারাল পারস্পেক্টিভ যে পাওয়া যায়, সফটওয়্যার তা তৈরি করতে পারে না।
ভিডিওর জগতে সামনের এবং পেছনের দুই ক্যামেরাই 4K 30 FPS পর্যন্ত শুট করে। পেছনেরটা 4K 60 FPS দেয়, কিন্তু শার্পনেসটা আরেকটু বেশি চাই। ব্লগারদের জন্য একটা মজার ফিচার আছে—একই সাথে সামনে আর পেছনের ক্যামেরা দিয়ে ভিডিও রেকর্ডিং। মাল্টি-উইন্ডো ভিউ-এর এই ফিচারটা কন্টেন্ট ক্রিয়েটরদের খুব কাজে দেবে। সামনের 50MP সেলফি ক্যামেরা মোটামুটি। সব বিউটিফিকেশন বন্ধ করেও মনে হয় একটু ফেস স্মুথ হয়ে যায়।
Honor 500 আসলে বাজারের হিসাবে কেমন জায়গায় দাঁড়ালো? সোজা করে বলতে গেলে, এটা নিজের কোনও নির্দিষ্ট পরিচয় তৈরি করতে পারে নাই। জ্যাক অফ অল ট্রেডস, মাস্টার অফ নান।
ফোনের ভালো দিক হিসেবে আল্ট্রা-প্রিমিয়াম বিল্ড কোয়ালিটি, অসাধারণ AMOLED ডিসপ্লে, চমৎকার হিট ম্যানেজমেন্ট আর বিশাল ব্যাটারি লাইফের কথা বলা যায়। কিন্তু খারাপ দিকগুলোও চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর মতো। Honor 200-এর মতন টেলিফটো লেন্সের অভাব সবচেয়ে বড় ধাক্কা। তার সাথে দামটাও বড্ড বেশি।
বর্তমানে বাংলাদেশে এই Honor 500-এর আনঅফিশিয়াল প্রাইস হচ্ছে BDT 54,500 টাকা। এই দামে ফোনটা কেনা মোটেও বুদ্ধিমানের কাজ হবে না। ফোনটার আন্তর্জাতিক দামও ওভার-প্রাইসড। আমার মতে, এই ফোনের ন্যায্য দাম হচ্ছে ৪৫,০০০ টাকার আশেপাশে। যদি Honor আনঅফিশিয়াল চ্যানেলের দাম কমে সেটার ধারেকাছে আসে, তবেই এটা কেনার কথা ভাবা যায়।
এখনই যদি ৫০ হাজারের উপরে ফোন কিনতে হয়, তাহলে বাজারে আরও ভালো ক্যামেরা আর বেশি শক্তিশালী চিপসেটের অপশন আছে। Honor 500 স্পেশাল কিছু না। চারপাশে ভালো ভালো ফোন ভর্তি, আর সেই তুলনায় এটা একটা ব্যালেন্সড ফোন হয়েও দামের মারপ্যাঁচে মুখ থুবড়ে পড়েছে। যতদিন না দাম কমছে, ততদিন এই ফোনকে সাজেস্ট করা কঠিন।





