স্যামসাং বাজেট সিরিজের ফোন মানেই কেমন যেন একটা মিশ্র অনুভূতি কাজ করে। দামটা একটু বেশি মনে হলেও লং টার্মে সফটওয়্যার আপডেট আর নির্ভরযোগ্যতার জন্য মনটা টানে। ঠিক তেমনই এক নতুন সদস্য Galaxy A07। দীর্ঘদিন পর স্যামসাং এমন একটি ফোন আনলো, যাতে একবার চার্জ দিলে আরামে চলে, আর Android-এর বড় আপডেটও মিলবে টানা ছয় বছর! ফোনটা হাতে নেওয়ার পর থেকেই ছোটখাটো অনেক কিছু চোখে পড়েছে, যা হয়তো প্রথম দেখায় বোঝা যায় না। তাই গল্পের মতো করে তোমাদের সব বলছি।
Design & Build Quality
বক্সি শেপ আর প্রিমিয়াম ফিল
Galaxy A07 হাতে নিতেই বোঝা যায়, স্যামসাং ডিজাইন নিয়ে ভেবেছে। ফোনটা একটু লম্বাটে, চারকোণা বক্সি ফ্রেম। প্লাস্টিকের বডি হলেও স্কয়ার শেপের কারণে গ্রিপ দারুণ। পেছনের প্যানেলে আছে সূক্ষ্ম একটা প্যাটার্ন, যেটা আলো পড়লে অদ্ভুত সুন্দর গ্রেডিয়েন্ট ইফেক্ট তৈরি করে। সরাসরি তাকালে একটা কালার, আর একটু এঙ্গেল বদলালেই সেটা গাঢ় বা হালকা হয়ে ওঠে। ব্যক্তিগতভাবে এই লুকটা আমার ভালো লেগেছে। প্রথম দেখায় মোটেও ১৫,০০০ টাকার ফোন বলে মনে হয় না; বরং কিছুটা দামি ফোনের ফিল দেয়।
ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাগনেট হওয়ার যন্ত্রণা
কিন্তু সমস্যা হলো সেই রিয়ার প্যানেলটাই। গ্লসি ফিনিশের কারণে এটা ভয়ংকর রকমের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাগনেট। দুই মিনিট হাতে রাখলেই তেলতেলে দাগ বসে যায়, আর মুছতে গেলে সহজে মুছতেও চায় না। তাই কেস ব্যবহার করলে ফোনটাকে সবসময় নতুনের মতো দেখাবেন। তাছাড়া বডি যেহেতু পুরোটাই প্লাস্টিক, তাই বাড়তি সুরক্ষা দরকার।
প্রোটেকশন ও পোর্ট
ভালো খবর হলো Galaxy A07 IP54 রেটিং নিয়ে এসেছে। অর্থাৎ ধুলো আর হালকা পানির ছিটা থেকে সুরক্ষা পাবেন। রেইনর ড্রপ আর রান্নাঘরের পাশে রাখার মতো ঘটনায় খুব একটা ভয় নেই। নিচের দিকে USB Type-C পোর্ট, সিঙ্গেল স্পিকার গ্রিল, আর প্রিয় 3.5mm হেডফোন জ্যাক আছে। ২০২৪-এও অডিও জ্যাক থাকাটা অনেকের জন্য বড় প্লাস পয়েন্ট। ফোনটা মোটামুটি হালকা, দীর্ঘক্ষণ হাতে রেখে ভিডিও দেখতেও কষ্ট হয় না।
Display Experience
6.7-ইঞ্চি IPS LCD প্যানেল
Galaxy A07-তে আছে 6.7 ইঞ্চির বিশাল IPS LCD প্যানেল। বেজেল খুব একটা পাতলা না হলেও স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও ভালো। তবে যে জিনিসটা একটু খটকা লাগে, তা হলো ওয়াটারড্রপ নচ। ২০২৫ সালে দাঁড়িয়ে পাঞ্চ-হোল কাটআউট না দিয়ে ওয়াটারড্রপ নচ ব্যবহার করাটা পুরনো দিনের কথা মনে করায়। অনেক চায়নিজ ব্র্যান্ড ১২-১৩ হাজার টাকাতেও পাঞ্চ হোল দিচ্ছে। বিশেষ করে Galaxy A07-এর ১৭,০০০ টাকার কাছাকাছি ভেরিয়েন্টে এই পুরনো নচ দেখে একটু খারাপ লাগে।
HD+ রেজলিউশন ও 90Hz রিফ্রেশ রেট
ডিসপ্লেটা HD+ (1600x720), সাথে 90Hz রিফ্রেশ রেট। স্ক্রোলিং আর অ্যানিমেশনগুলো মোটামুটি স্মুথ লাগে। তবে PPI মাত্র 262, ফলে ফুল HD প্যানেলের তুলনায় টেক্সট বা ছবির শার্পনেস কিছুটা কম। যদি তোমার আগের ফোনটিও HD+ হয়, তাহলে খুব একটা মিস করবে না। কিন্তু যারা একবার ফুল HD স্ক্রিন ইউজ করেছে, তারা ডিফারেন্সটা ধরতে পারবে। আমি ইউটিউব ভিডিও আর সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রলিংয়ে খুব একটা সমস্যা বোধ করিনি, তবে ছোট ফন্টের লেখা পড়তে একটু চোখ কচলাতে হয়।
ব্রাইটনেস ও আউটডোর ভিজিবিলিটি
ইনডোরে ডিসপ্লে যথেষ্ট ব্রাইট, কালারও বেশ ভাইব্রেন্ট। IPS হওয়া সত্ত্বেও Samsung বেশ ভালো কালার টিউনিং করেছে। কিন্তু সরাসরি রোদে বের হলে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস একটু কম পড়ে। ক্যামেরা অ্যাপ খুললে এই স্ট্রাগল আরেকটু বেশি টের পাওয়া যায়। পুরো রোদে ফ্রেম কম্পোজ করতে একটু অসুবিধা হয়। তাছাড়া ক্যামেরা অ্যাপ খোলা আর শাটার স্পিডে সামান্য ডিলে আছে, যা স্ক্রিনের রেসপন্স বা অপটিমাইজেশনের কারণে হতে পারে।
Performance & Gaming
MediaTek Helio G99: পুরনো হলেও ভরসাযোগ্য
পারফরম্যান্সের জায়গায় Galaxy A07 চমক দেখায়। ফোনের ভেতরে আছে MediaTek Helio G99 প্রসেসর। এই চিপটা প্রায় দুই বছর আগের হলেও আজও বাজেট সেগমেন্টে দারুণ পারফর্ম করে। 2.2GHz পর্যন্ত Cortex-A76 কোর আর Mali-G57 GPU এর কম্বিনেশন ডে টু ডে টাস্কে বেশ ফাস্ট। অ্যাপ খোলা, মেসেজ করা, ইউটিউব দেখা—সব মিলিয়ে ইউজার এক্সপেরিয়েন্স মসৃণ। UFS 2.2 স্টোরেজের কারণে রিড-রাইট স্পিড যুগের তুলনায় বেশ ভালো।
4GB বনাম 6GB RAM: আসল টুইস্ট
বাংলাদেশে ফোনটি দুটি ভেরিয়েন্টে এসেছে: 4GB RAM + 64GB স্টোরেজ আর 6GB RAM + 128GB স্টোরেজ। বেস ভেরিয়েন্টে দাম কম হলেও 4GB RAM কিছুটা আঁটসাঁট। আমার মনে হয়, স্যামসাং যদি বেস ভেরিয়েন্টে 6GB আর টপ ভেরিয়েন্টে 8GB র্যাম দিত, তাহলে এই ফোন অপ্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে যেত। বাস্তবে 4GB র্যাম নিয়ে চার-পাঁচটা অ্যাপ ব্যাকগ্রাউন্ডে রাখলে কিছু অ্যাপ রিলোড হয়ে যায়। গেমিং আর ভারী মাল্টিটাস্কিংয়ে এই ঘাটতি বোঝা যায়। হালকা ইউজারদের জন্য 4GB চলবে, তবে একটু বেশি চাহিদা থাকলে 6GB ভেরিয়েন্টই বেটার।
গেমিং এক্সপেরিয়েন্স
PUBG, Free Fire-এর মতো গেম খেলতে চাইলে Helio G99 ভালো সাপোর্ট দেয়। PUBG তে HD গ্রাফিক্স আর High ফ্রেম রেটে খেলা গেলেও স্মুথ পারফরম্যান্স পেতে Medium সেটিংসে নামানোই ভালো। Free Fire-ও দারুণ চলে। তবে যেহেতু 4GB ভেরিয়েন্টে র্যাম খানিকটা কম, তাই ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ ক্লিয়ার করে তারপর গেমে ঢোকা বুদ্ধিমানের কাজ। গেমিংয়ের সময় ফোন গরম হওয়ার প্রবণতা কম। হালকা গরম হয় বটে, কিন্তু চোখে পড়ার মতো নয়।
দৈনন্দিন ইউজ ও হিটিং
নিয়মিত ব্রাউজিং, সোশ্যাল মিডিয়া আর মাল্টি-উইন্ডোতে খুব একটা ল্যাগ পাইনি। রিবুট, অটোমেটিক বন্ধ হওয়া বা অতিরিক্ত হিট জেনারেশনের সমস্যা পাইনি। ভারী ইন্টারনেট আর জিপিএস একসাথে চালালে ফোন ওয়ার্ম হয়, বিশেষ করে স্ক্রিনের উপরের অংশ আর পেছনের দিকে। কিন্তু তা অস্বস্তির পর্যায়ে যায় না। এই দামে ইউনিসক প্রসেসরের তুলনায় Helio G99 দীর্ঘদিন নির্ভরযোগ্যভাবে চলতে পারবে।
Camera System
50MP মেইন ক্যামেরা
Galaxy A07 এর পেছনে আছে ডুয়াল ক্যামেরা সেটআপ: 50MP মেইন সেন্সর আর 2MP ডেপ্থ সেন্সর। মেইন ক্যামেরা দিয়ে তোলা ছবির ডিটেইল আর কালার প্রোফাইল সত্যি বলতে দারুণ। Samsung তাদের সিগনেচার ভাইব্রেন্ট টোন এনেছে, যাতে আকাশ আর ঘাসের রঙ বেশ পাঞ্চি লাগে। আইপিএস ডিসপ্লেতে দেখলেও এই ছবিগুলো বেশ ঝকঝকে মনে হয়। ডায়নামিক রেঞ্জ ততটা ওয়াইড নয়, কিন্তু দিনের আলোতে ক্লিক করা বেশিরভাগ ছবি সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য যথেষ্ট। কম আলোতে ছবির ডিটেইল কিছুটা কমে যায়, মিডল এরিয়ার তুলনায় কর্নারে নরমness দেখা দেয়। Night Mode ম্যানুয়ালি অন করলে একটু ভালো আসে, তবে প্রসেসর যে লেভেলের তার তুলনায় লো-লাইট পারফরম্যান্স গড়পড়তা।
পোর্ট্রেট মোডের জাদু
সত্যি বলতে, পোর্ট্রেট মোডই Galaxy A07-এর ক্যামেরার আসল স্ট্রেন্থ। 2MP ডেপ্থ সেন্সর থাকায় এজ ডিটেকশন চমৎকার। চুলের প্যাঁচ আর কাঁধের বর্ডার দারুণভাবে আলাদা করে। ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার ন্যাচারাল লাগে, কৃত্রিম ভাব নেই বললেই চলে। ছবির শার্পনেস আর স্কিন টোনও ভালো রাখে। এই প্রাইস রেঞ্জে অধিকাংশ ফোনের চেয়ে পোর্ট্রেট রেজাল্ট এগিয়ে থাকবে।
ফ্রন্ট ক্যামেরা ও ভিডিও
সামনের 8MP ক্যামেরাটা আশানুরূপ নয়। কালার কনসিস্টেন্সি ঠিক থাকে না—কখনো একটু বেশি রঙিন, কখনো ওয়াশআউট। ভালো লাইটিংয়ে ইউজেবল সেলফি তোলা যায়, কিন্তু ডায়নামিক রেঞ্জ সংকীর্ণ। কম আলোয় ফ্রন্ট ক্যামেরা অনেকটাই সফট করে ফেলে, ডিটেইল হারায়। ভিডিও রেকর্ডিং ম্যাক্সিমাম 1080p 30fps-এ করা যায়। ফুটেজের কোয়ালিটি মেনে নেওয়ার মতো, তবে স্ট্যাবিলাইজেশন শুধুমাত্র ইলেকট্রনিক (EIS), যা হালকা ঝাঁকুনি সামলায়। বেসিক ইউজারদের জন্য ঠিক আছে, কিন্তু ভ্লগিংয়ের আশা করাটা বোকামি হবে।
Battery Life & Charging
5000mAh ব্যাটারির জাদু
Galaxy A07 এর ব্যাটারি 5000mAh, যা Helio G99 আর HD+ স্ক্রিনের সাথে মিলে দারুণ ব্যাকআপ দেয়। আমার ইউজ প্যাটার্নে (ইউটিউব, সোশ্যাল মিডিয়া, কিছু কল আর ক্যামেরা) ফোন প্রায় দেড় দিন চলে গেছে। ৮ ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন-অন টাইম খুব সহজেই পাওয়া যায়। সকালে চার্জ দিয়ে বের হলে পরের দিন সকাল পর্যন্ত আর চার্জের টেনশন নেই। যারা দীর্ঘদিন ব্যাটারির জন্য ফোন কেনেন, তাদের জন্য এটা বড় প্লাস।
চার্জিং: 25W বনাম 15W এর গল্প
ফোনটি 25W ফাস্ট চার্জিং সাপোর্ট করে, কিন্তু বক্সে দেয়া হয় শুধু 15W এর চার্জার। ফলে 0 থেকে 100% হতে সময় লাগে প্রায় ২ ঘণ্টা। যদি বক্সেই 25W চার্জার দিত, তাহলে সময় কমে দেড় ঘণ্টায় নেমে আসত। তবু ভালো খবর হলো, তুমি চাইলে যেকোনো ভালো মানের 25W Samsung PD চার্জার কিনে ফুল স্পিডে চার্জ করতে পারবে। তবে ১৫ ওয়াটের চার্জারেও রাতে চার্জ দিয়ে সকালে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।
Software & Features
One UI ও Android 15
Galaxy A07 বক্স থেকেই Android 15 এবং One UI (Core ভেরিয়েন্ট হওয়ার সম্ভাবনা) নিয়ে আসে। Samsung-এর One UI বাজেট ফোনেও অসাধারণ পলিশ করে। অ্যানিমেশনগুলো স্মুথ, ফিচার রিচ আর নেভিগেশন জেশ্চারগুলো ফ্লুইড। কিছু প্রি-ইনস্টলড ব্লোটওয়্যার থাকলেও বেশিরভাগই আনইনস্টল করা যায়, তাই ফোন ক্লিন রাখতে তেমন বেগ পেতে হয় না।
ছয় বছরের আপডেট: গেম চেঞ্জার
এই ফোনের সবচেয়ে বড় স্ট্রেন্থ হলো সফটওয়্যার সাপোর্ট। Samsung ৬টি মেজর Android আপডেট দেবে বলেছে। অর্থাৎ Galaxy A07 Android 21 পর্যন্ত পাবে! ১৫,০০০ টাকার ফোনে এটা নজিরবিহীন। যারা একটা ফোন কিনে চার-পাঁচ বছর নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে চায়, তাদের জন্য এটাই বেস্ট অপশন। অন্য ব্র্যান্ডগুলো এই বাজেটে সর্বোচ্চ দুইটা আপডেট দেয়, সেখানে স্যামসাং অনেক এগিয়ে।
স্পিকার ও কানেক্টিভিটি
ফোনে আছে সিঙ্গেল বটম-ফায়ারিং স্পিকার। স্টেরিও না পাওয়ার আফসোস থাকলেও এই একটা স্পিকার বেশ জোরে বাজে, আর ফুল ভলিউমে ডিস্টরশন পাইনি। মুভি দেখতে বা গান শুনতে হেডফোন ব্যবহার করাই ভালো, আর 3.5mm জ্যাক থাকায় কোনো লাইফ যায় না। কল কোয়ালিটি আর নেটওয়ার্ক রিসেপশন দারুণ; Wi-Fi, মোবাইল ডাটা আর VoLTE সব ঠিকঠাক চলে। নিচের দিকে IP54 রেটিং থাকায় আউটডোরে একটু স্বস্তি দেয়।
Final Verdict
Samsung Galaxy A07 অনেকটা হিসেব করে বানানো একটা বাজেট ফোন। একদিকে যেখানে চকচকে ডিজাইন, শক্তিশালী Helio G99, 50MP ভালো পোর্ট্রেট ক্যামেরা, 5000mAh ব্যাটারি আর ছয় বছরের Android আপডেট মাথা উঁচু করে দাঁড় করায়, ঠিক অন্যদিকে HD+ ডিসপ্লে, ওয়াটারড্রপ নচ আর বেস ভেরিয়েন্টের কম র্যাম খানিকটা পিছিয়ে রাখে।
বাংলাদেশে এখন Galaxy A07-এর অফিশিয়াল দাম: 4/64GB ভেরিয়েন্ট ১৩,৯৯৯ টাকা, আর 6/128GB ভেরিয়েন্ট ১৬,৯৯৯ টাকা। তবে মার্কেট প্রাইস অনেকটাই নেমে গেছে। বিশেষ করে 6/128GB মডেলটিকে এখন ১৫,৫৯৯ টাকায় পেয়ে যাচ্ছো, যা রীতিমতো দারুণ ডিল। একই দামে অনেক চায়নিজ ফোন ফুল HD AMOLED দিলেও, তাদের সফটওয়্যার সাপোর্ট আর ইউজার এক্সপেরিয়েন্সের মান স্যামসাংয়ের ধারেকাছেও না। আর যারা ক্যামেরায় পোর্ট্রেট শট বা ফটোগ্রাফির চেয়ে নির্ভরযোগ্যতা ও লং টার্ম ভ্যালুকে প্রাধান্য দাও, তাদের কাছে Galaxy A07 এক কথায় পারফেক্ট।
যদি তুমি ১৫,৫৯৯ টাকার আশপাশে Samsung Galaxy A07 কেনার কথা ভাবছো, তাহলে 6/128GB ভেরিয়েন্টটি একদম চোখ বন্ধ করে নিতে পারো। শুধু মনে রাখবে, ডিসপ্লে রেজলিউশন আর ফ্রন্ট ক্যামেরা তেমন হাই-এন্ড না। কিন্তু হার্ডওয়্যার + সফটওয়্যারের যে ম্যারেজটা স্যামসাং এখানে ঘটিয়েছে, তা এই বাজেটে সত্যিই বিরল। আর ছয় বছর একই ফোনে লেটেস্ট অ্যান্ড্রয়েডের মজা পাওয়ার সুযোগ পেয়ে যাচ্ছো—এটাই শেষমেশ Galaxy A07-কে ভিড়ের মধ্যে অনন্য করে তোলে।

